বিজিএমইএকে ইউএসটিআর

রফতানি পণ্যে ২০% মার্কিন কাঁচামাল ব্যবহার করলে শুল্ক কমবে

বাংলাদেশ থেকে মার্কিন বাজারে রফতানীকৃত পোশাকে যদি ২০ শতাংশ বা তার বেশি যুক্তরাষ্ট্রের কাঁচামাল ব্যবহার হয়, তবে সেই পণ্যের ওপর আরোপিত ২০ শতাংশ অতিরিক্ত শুল্ক থেকে আনুপাতিক হারে অব্যাহতি পাওয়া যাবে।

বাংলাদেশ থেকে মার্কিন বাজারে রফতানীকৃত পোশাকে যদি ২০ শতাংশ বা তার বেশি যুক্তরাষ্ট্রের কাঁচামাল ব্যবহার হয়, তবে সেই পণ্যের ওপর আরোপিত ২০ শতাংশ অতিরিক্ত শুল্ক থেকে আনুপাতিক হারে অব্যাহতি পাওয়া যাবে। ঢাকা সফররত যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য প্রতিনিধির দপ্তরের (ইউএসটিআর) প্রতিনিধি দল এ তথ্য জানিয়েছে।

ইউএসটিআর কর্মকর্তারা গতকাল বাংলাদেশ গার্মেন্ট ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিজিএমইএ) একটি প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠক করেন। এ সময় যুক্তরাষ্ট্রের সহকারী বাণিজ্য প্রতিনিধি (ইউএসটিআর) ব্রেন্ডেন লিঞ্চ তাদের এ কথা জানান। রাজধানীর গুলশানে চিফ অব মিশন রেসিডেন্সে এ সভার আয়োজন করে ঢাকার মার্কিন দূতাবাস। অন্যদিকে এদিন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গেও বৈঠক করেন যুক্তরাষ্ট্রের সহকারী বাণিজ্য প্রতিনিধি ব্রেন্ডেন লিঞ্চ।

বিজিএমইএ সভাপতি মাহমুদ হাসান খানের নেতৃত্বে বিজিএমইএ প্রতিনিধি দলে আরো উপস্থিত ছিলেন সহসভাপতি রেজওয়ান সেলিম, পরিচালক ফয়সাল সামাদ, পরিচালক আবদুস সালাম ও স্ট্যান্ডিং কমিটি অন এফটিএ অ্যান্ড পিটিএর চেয়ারম্যান লুৎফে এম আইয়ুব।

বৈঠকে মার্কিন প্রতিনিধি দলের অন্য দুই সদস্য ছাড়াও ঢাকার যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূত ট্রেসি অ্যান জ্যাকবসন ও লেবার অ্যাটাশে লীনা খান উপস্থিত ছিলেন।

আলোচনায় বিজিএমইএ নেতারা জানতে চান, কোন প্রক্রিয়া বা ফর্মুলায় যুক্তরাষ্ট্রের কাঁচামাল ব্যবহারের মূল্যায়ন ও ট্রেসেবিলিটি তা নিশ্চিত করা হবে। জবাবে মার্কিন কর্মকর্তারা জানান, ইউএস কাস্টমস বিষয়টি নিয়ে বর্তমানে কাজ করছে। আশা করা যায় যে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে এটি সম্পন্ন হবে।

এছাড়া ইউএসটিআর প্রতিনিধিরা বাংলাদেশের বিদ্যমান শ্রম আইন আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) গাইডলাইন অনুযায়ী সংশোধনের ওপরও গুরুত্বারোপ করেন।

দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য আলোচনার ফলে যুক্তরাষ্ট্র গত আগস্টে বাংলাদেশের ওপর পাল্টা শুল্কের হার ২০ শতাংশে নামিয়ে আনে, যা শুরুতে ছিল ৩৫ শতাংশ। অবশ্য বিজিএমইএর পক্ষ থেকে বলা হয়, কমানোর পরও আগের শুল্কসহ সব মিলিয়ে দেশটির বাজারে তৈরি পোশাক রফতানিতে ৩৬ দশমিক ৫ শতাংশ শুল্ক রয়েছে। এ শুল্ক আরো কমানোর আহ্বান জানান তারা।

আরও